আজ যে সূর্য ওঠে,
সে নিতান্ত এক দেঁতো হাসি হেসে,
অভিব্যাক্তি বিহীন হয়েই ফোটে,
গলিত স্বর্ণ, কনক বর্ণে রাঙ্গায়না হিয়া মোটে।
আজ যে সূর্য্য ওঠে,
ব্যস্ত ভীষন, সময় মোটেনা জোটে
নিত্যের কাজ ফেলে,
পশ্চিম পানে ছোটে।
আজ যে সূর্য্য ওঠে,
হতে পারে সেই পুরাতন প্রিয় মামা,
কিন্তু তাহার আজ একচোখ কানা,
এক ভাগ্নের ভাগ্য দুয়ার খোলে,
অপর ভাগ্নেরা, জল করে ঘোলা
অনর্থ পাঁক ঘেটে।
মধ্যাহ্নের তীব্র তামাটে শিখা
বুক ফাটা মাঠে,
আক্রোশে মাথা কোটে।
নিরুত্তরের প্রতিবাদে শুধু ছোটে,
পশ্চিম রনপোতে।
আজ যে সূর্য্য ওঠে,
কেবল কর্ম্ম বোধে,
নিষ্প্রাণ, নিষ্প্রভ’,
হৃদয় ভরে না, তপ্ত আলিঙ্গনে,
নিয়মিত শুধু প্রভাত কল্প লগনে
সপ্তাশ্বের উদয় বার্ত্তা রটে।
আজ যে সূর্য্য ওঠে,
কলাহক তলে আত্মগোপন করে
পলায়ানপর লোক চক্ষুর থেকে,
ভ্রান্ত পথেতে ছোটে
যেথা মেঘাটন প্রচন্ড ক্রোধে ফাটে।
আজ যে সূর্য্য ওঠে,
সপ্তঘোরার রথ ফেলেরেখে
চলে সোজা হাঁটাপথে,
জমিদারি প্রথা হয়েছে বিলোপ
শক্ত সে আইন এঁটে।
কিন্তু কে জানে আড়ালে পাঠালে পাশ,
হঠাৎ ঘোরারে কষাবেকি কষাঘাত।
সরষে ফুলের মতন আকাশ জুড়ে
হাত দেখব ধূলো আর ধূলো ওরে!
হয়ত বা সেই, ঘোড়াদের খুরে খুরে
আমরা তখন কি জানি কেমন
আইন অমান্য চোটে।।