কেউ কোনদিন দেখছ কি ভেবে
চলি মোরা কোন পানে,
রোজকার এই পথচলা থামে
কবে কোথা কোন খানে।
আজো চলে ছিত, ঠিক সেই পথে,
সেই চেনা পুরাতন,
সেই অলি, গলি, পথ, ঘাট, মোড়,
সেই গৃহ, অঙ্গন।
তপনের তাপে প্রাতের পরশে, যে দিন,
জাগিয়া ওঠে
কোলাহলময় সংসার মাঝে,
পশ্চিম পানে ছোটে।
আবার, আবার, সেই পুরাতন,
গতানুগতিকতানে,
উঠেছে আবার, ছুটেছে আবার,
মিশেছে আদিকালে।
মহাকাল চলে, ছোট কাল তাই
পরশুর পিছে ধায়।
সময় কোথায়, কে নেবে হিসাব,
খতিয়ান বেড়ে যায়।
নিরর্থক এই অর্থ ফুরানো
চিরপুরাতন পথে,
এক হতে দুই, দুই হতে চার,
চলেছে জীবন রথে।
চলা থেমে যায় তারি রেশ হায়
হয় শুধু অনুগামী
নদীচলে যায় সাগরের পথে,
পিছনে থাকে সে আমি!
শেষের শিয়রে শুরু আছে বসে,
কোথা, কবে, কেবা, থামে?
শেষ হলে পরে, শুরু সেই পথে
নতুন নামেতে-নামে।
তোমরা জাগাও প্রেমের পরশ
জুরাক এ দদ্ধ কায়া।
মতবাদ ছাড়, দেখাও তোমরা
ভ্রাতৃ মিলন দৃশ্য,
সে পথে মিলুক মহামিলনের
বন্ধন ডোরে বিশ্ব।
পুলকে হরষে মিলন বরষে
নিভুক এ অগ্নি শিখা,
নতুন পথের ইঙ্গিত নিয়ে
আসুক এ ভাগ্য লিখা,
যে বিভীষিকার সম্ভাবনায়
শয়তান করে নৃত্য,
মূলেই তাহার হোক না বিনাশ
হরষে ভরুক চিত্ত।
এসো আমেরিকা, রাশিয়া আমার
নিয়ে এস সেই স্বপ্ন
আমরা ব্যাকুল, আর কতদুর,
মহামিলনের লগ্ন?