নিশুতি রাতের বুক ভেঙ্গে নেমে আসে স্নিদ্ধ সুষম
জোৎস্নার আলো।
তারপর? তারপর খোলা জানলার পথে
ঢুকে পড়ে তোমার শয্যা পাশে,
আর অনিমিষ দৃষ্টি দিয়ে শুধু চেয়ে থাকে,
ঘুমন্ত মুখের পানে
অনির্দ্দিষ্ট কাল ধরে।
নিমিলীত দু নয়ন, শান্ত নিঃশ্বাস,
বক্ষে জড়ানো দুটি হাত,
আর একরাশ সুকোমল চুল।
সবমিলে তোমার অতনু তনু
যেন এক ফুটন্ত ফুল,
ফুটে আছে বিষন্ন রাত্রি কোলে
প্রসন্ন হাসির মতন,
এলোচুলে খেলা করে স্বিন্ধ সমীরণ,
কথাকয় কানে কানে উদাসী স্বপন।
তুমি নয় রূপ কথা, দৈত্য প্রহরায়
ঘুমন্ত, দু কাঠি ছোঁয়ায়
অলকার অপ্পয়নেও, কল্পনার ডানা মেলে
পুরতমা পরী হওয়া যায়
তবু জানি তুমি এক সাধারণ মেয়ে।
তবু তার পানে চেয়ে রয়,
চাঁদের সুষমা ঢেলে স্তব্দ রাত,
তবু তার ডাক শুনে দক্ষিণা মলয়
চঞ্চল হয়ে ওঠে বাতয়নে এসে।
আঁধারের রূপ ছায়া মুখ ঢাকে
ঘোমটার তলে।
রাত জাগা তারাদের দলে
পড়ে কল কলি তোমার রূপের।
এতরূপ প্রকৃতির এত সম্পদ
তোমারে এঁকেছে শিল্পী সুনিপুণ হাতে
সৌভাগ্য জানি তার
যে তোমারে প্রিয়া বলে ডাকে।।