(বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক)
মিস্টার প্রদ্যুত দত্ত বলেই আমি তাঁকে সম্বোধন করতাম। তাঁর সঙ্গে আমার আলাপ পরিচয় হয়েছিল অশোকদার মাধ্যমে। অশোকদা মানে অশোক ঘোষ তখন আই এফ এ-র সেক্রেটারি ছিলেন। ১৯৭৬ সালে ক্ষণিকের মতো কথাবার্তা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছুদিন সুদীর্ঘক্ষণ ধরে নানাবিষয়ে আলাপ-আলোচনা এবং ‘‘খেলার কথা’’ পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক অল্পবিস্তর কথাবার্তার পর আমি জার্মানিতে ফিরে গিয়েছিলাম।
মিস্টার প্রদ্যুত দত্ত বলেই আমি তাঁকে সম্বোধন করতাম। তাঁর সঙ্গে আমার আলাপ পরিচয় হয়েছিল অশোকদার মাধ্যমে। অশোকদা মানে অশোক ঘোষ তখন আই এফ এ-র সেক্রেটারি ছিলেন। ১৯৭৬ সালে ক্ষণিকের মতো কথাবার্তা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছুদিন সুদীর্ঘক্ষণ ধরে নানাবিষয়ে আলাপ-আলোচনা এবং ‘‘খেলার কথা’’ পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক অল্পবিস্তর কথাবার্তার পর আমি জার্মানিতে ফিরে গিয়েছিলাম।
ক্যামাক স্ট্রিটের শান্তিনিকেতন বিল্ডিং এর টেনথ ফ্লোর থেকে ‘‘খেলার কথা’’ পত্রিকা প্রকাশিত হল। আমি জার্মানি থেকে নিয়মিত বিদেশের ফুটবল সম্বন্ধে লেখা পাঠাতাম এবং মাঝে মধ্যে যখন কলকাতায় আসতাম তখন মিঃ দত্তর সঙ্গে তাঁর বাড়িতে রাত্রে দেখা করতাম। ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে গিয়ে সাধারণত মিঃ অশোক দাশগুপ্ত, এডিটরের সঙ্গে এবং খেলার কথার প্রাণভোমরা বিপ্লব দাশগুপ্ত, নীরব রায়, রতন ভট্টাচার্য, সরোজ চক্রবর্তীদের সাথে একান্তে আলাপ ও কথোপকথন করতাম। কিন্তু আসল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিঃ দত্তর বাড়িতে রাত্রে গিয়ে কথা বলতাম।
১৯৮৫ সালে প্রদ্যুত দত্ত আইএফ এ-র সম্পাদক হলেন। বাংলার ফুটবল প্রশাসনে একজন বলিষ্ঠ এবং দক্ষ প্রশাসক। ৪বি অপূর্ব মিত্র রোডে তাঁর বাড়ির ম্যাজেনাইন ফ্লোরে একটি মিনি আইএফএ অফিস ছিল। সন্ধ্যায় সেখানে আইএফএর গুরুত্বপূর্ণ সভা হত এবং নীতি নির্ধারণ করা হত। সেখানে অনেকেই উপস্থিত থাকতেন। তাঁদের মধ্যে আমার সঙ্গে যাঁদের ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁরা হলেন রঞ্জিত গুপ্ত, দেবু মুখার্জি, কৃষ্ণেন্দু ব্যানার্জি প্রমুখ। তাছাড়া সেখানে বলরাম চৌধুরী, টুটু বসু, পল্টু দাস, জীবন চক্রবর্তী, দেবব্রত সরকারদেরও যাওয়া-আসা করতে দেখেছিলাম। মিঃ দত্ত খুব স্পষ্টবাদী ছিলেন। তিনি সদা সর্বদা ন্যায় নীতি নির্ধারণ করতে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে কখনও কুন্ঠাবোধ করতেন না।
১৯৮৫ সালে প্রদ্যুত দত্ত আইএফ এ-র সম্পাদক হলেন। বাংলার ফুটবল প্রশাসনে একজন বলিষ্ঠ এবং দক্ষ প্রশাসক। ৪বি অপূর্ব মিত্র রোডে তাঁর বাড়ির ম্যাজেনাইন ফ্লোরে একটি মিনি আইএফএ অফিস ছিল। সন্ধ্যায় সেখানে আইএফএর গুরুত্বপূর্ণ সভা হত এবং নীতি নির্ধারণ করা হত। সেখানে অনেকেই উপস্থিত থাকতেন। তাঁদের মধ্যে আমার সঙ্গে যাঁদের ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁরা হলেন রঞ্জিত গুপ্ত, দেবু মুখার্জি, কৃষ্ণেন্দু ব্যানার্জি প্রমুখ। তাছাড়া সেখানে বলরাম চৌধুরী, টুটু বসু, পল্টু দাস, জীবন চক্রবর্তী, দেবব্রত সরকারদেরও যাওয়া-আসা করতে দেখেছিলাম। মিঃ দত্ত খুব স্পষ্টবাদী ছিলেন। তিনি সদা সর্বদা ন্যায় নীতি নির্ধারণ করতে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে কখনও কুন্ঠাবোধ করতেন না।
মিঃ দত্ত আইএফএর সচিব থাকাকালীন অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার সুব্রত ভট্টাচার্য মাঠে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করার বিরুদ্ধে তিনিই সর্বপ্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়ে শাস্তি দিয়েছিলেন এবং জরিমানা ধার্য করেছিলেন। এর আগে কোনও সচিব এধরনের কড়া মনোভাব কোনও ফুটবলারের বিরুদ্ধে দেখাতে পারেননি।
তিনি সুদক্ষ প্রশাসক হিসেবে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় রেখেছিলেন। যেমন কয়েকটি বড় বড় সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাকে সরাসরি কলকাতার ফুটবল লিগে খেলার সার্থক প্রয়াস নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া, সেইল, পিয়ারলেস প্রমুখ নাম অন্যতম। তিনিই সর্বপ্রথম কলকাতায় পেশাদারি ফুটবল লিগ চালু করার কথা ভেবেছিলেন। বিদেশের বিভিন্ন দেশে কীভাবে পেশাদারি ফুটবল লিগ খেলা হয়ে থাকে সে বিষয়ে আমার কাছ থেকে খুঁটিনাটি সব ব্যাপার গুলি জেনে নিয়ে ছিলেন। এবিষয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করতেন। বিভিন্ন সংস্থাকে কলকাতা ফুটবল লিগের আওতায় আনায় বহু ফুটবলার চাকরি পেয়ে উপকৃত হয়েছিলেন। এ ব্যাপারে আমাকে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে তদ্বির করতে বলেছিলেন। ৩০.০৪.১৯৯০ একটি চিঠি মারফত ফিফাকে অনুরোধও করেছিলেন। বিচক্ষণ ভার্সেটাইল প্রদ্যুত দত্ত তখনই উপলব্ধি করেছিলেন যে দুনিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে এবং ভারতীয় ফুটবলের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি করতে হলে এখানে পেশাদারি ফুটবল খেলার বিশেষ প্রয়োজন আছে।
তিনি সুদক্ষ প্রশাসক হিসেবে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় রেখেছিলেন। যেমন কয়েকটি বড় বড় সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাকে সরাসরি কলকাতার ফুটবল লিগে খেলার সার্থক প্রয়াস নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া, সেইল, পিয়ারলেস প্রমুখ নাম অন্যতম। তিনিই সর্বপ্রথম কলকাতায় পেশাদারি ফুটবল লিগ চালু করার কথা ভেবেছিলেন। বিদেশের বিভিন্ন দেশে কীভাবে পেশাদারি ফুটবল লিগ খেলা হয়ে থাকে সে বিষয়ে আমার কাছ থেকে খুঁটিনাটি সব ব্যাপার গুলি জেনে নিয়ে ছিলেন। এবিষয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করতেন। বিভিন্ন সংস্থাকে কলকাতা ফুটবল লিগের আওতায় আনায় বহু ফুটবলার চাকরি পেয়ে উপকৃত হয়েছিলেন। এ ব্যাপারে আমাকে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে তদ্বির করতে বলেছিলেন। ৩০.০৪.১৯৯০ একটি চিঠি মারফত ফিফাকে অনুরোধও করেছিলেন। বিচক্ষণ ভার্সেটাইল প্রদ্যুত দত্ত তখনই উপলব্ধি করেছিলেন যে দুনিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে এবং ভারতীয় ফুটবলের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি করতে হলে এখানে পেশাদারি ফুটবল খেলার বিশেষ প্রয়োজন আছে।