এই পৃথিবীর হৃদপিন্ডের
প্রান সংকেত ধ্বনি,
বিরাম বিহীন সৃষ্টি হতেই
চলেছে প্রহর ধ্বনি,
আমি আজ তার শেষ প্রহরের
বিদায় বার্ত্তা শুনি।
কত কোটি যুগ অপুত বর্ষ
মানবের ইতিহাসে-
লিখে গেছে নাম বিগত দিনের
বিদায়ের আফশোষে।
তাদের হৃদয়ে হিরোসিমা আর
নাগাসাকি আজো জ্বলে,
তারি প্রতিবাদ অযুত কন্ঠে
কান্নার রোল তোলে।
কিন্তু আমরা ভূলিছি সেদিন,
হিট্লার বহুদুর।
তাই পৃথিবীর হৃদপিন্ডতে
শুনি বিদায়ের সুর।
মহাকাল ছোটে অনন্ত পথে
গতকাল পড়ে ঢাকা,
নবসৃষ্টির উম্নাদনায়
ঘুরেছে কালের চাকা।
মানুষ রচেছে, বাসর শয্যা,
মিলনের মহালগ্নে,
মানুষ গড়েছে শান্তির নীড়-
আগামী দিনের স্বপ্নে।
এই সেই মানুষ রচেছে শ্মশান
বিদায়ের বন্দর,
সর্ব্বনাশীরে নিয়ে এল ডেকে
খুলে দিল গৃহদোর।
(আজ) সে মহা শ্মশানে মিলন শয্যা
প্রস্তুত সবাকার।
শান্তির ধূপ জ্বেলে দিতে বাকি
শঙ্খেতে ফুৎকার।
চলেছি কোথায়, ঠিকানা বিহীন-
কোন পথে মোরা যাত্রী,
একথা কখনো জাগেনাত মনে
এসেছে যে কাল রাত্রি।
প্রহর গোনার পালা হল’ শেষ
কতটুকু আছে বাকি,
আমি শুধু তাই বিশাল বষে,
কান পেতে দিয়ে থাকি,
বিগত দিনের অভিধান খুলে
খুঁজি মিছে এর মানে,
জীবন মৃত্যু কোলাকুলি করে
বিজয়ার জয় গানে,
কভু হল বুঝি ক্লেশ
মানে হীন মেগাটনে।